ট্রেন্ডিং:
স্বৈরাচারের দালাল সাংবাদিকরা এখনো সক্রিয় !
স্বৈরাচারের দালাল সাংবাদিকরা এখনো সক্রিয় !
২৪শে জুলাই ২০২৪।
স্থান শেখ হাসিনার দরবার ।
বিষয় - ছাত্র আন্দোলন
- আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ সাধারণ পথচারী ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের কর্মীরা হতাহতের শিকার হয়েছে। কোমলমতি ছাত্রদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে মূলত বিএনপি, জামায়াত, শিবিরসহ অন্যান্য ইসলামি জঙ্গি এবং ১/১১-এর কুশীলবদের ষড়যন্ত্র ফুটেজগুলোতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
মিথ্যা তথ্য প্রচারের জন্য আলজাজিরার ব্যাপক লিংক ব্যবহার করা হয়েছে। সরকারের উচিত হবে তাদের ডেকে এনে জবাব চাওয়া ও কাতার সরকারের কাছে এ সম্পর্কে প্রতিবাদ পাঠানো।
- যারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আছি, মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন লালন করি তাদের দায়িত্ব হচ্ছেÑ পুরো পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে একটি ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করা। উত্তরায় যে ভয়াবহ চিত্র আমরা দেখেছি, জননেত্রী শেখ হাসিনা আপনি পরীক্ষিত মানুষ, আপনি আমাদের স্বপ্নের সারথি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে আপনি লালন করে রাখছেন। আপনি ডাক দিলে বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ এগিয়ে আসবে। আপনার ওপর আমাদের পরিপূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। আপনার জন্য আমরা সবকিছু করতে পারি।’
‘রাস্তার পাশে গাড়িগুলোর কঙ্কাল পড়ে রয়েছে।পরিকল্পিত হামলা। গানপাউডার ব্যবহার করা হয়েছে। তারা বিটিভি দখল করেছিল। দাড়িওয়ালা লোকজন ছিল বেশি। তাদের সবার হাতে রড ও লাঠি ছিল। বাইরে থেকে লোকজন ঢাকায় আনা হয়েছিল। সবাই ছিল প্রশিক্ষিত। ছাত্ররা এটা করতে পারে না। পুলিশকে পাল্টা গুলি করা হয়। এই অস্ত্রের উৎস কোথায়। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল ও ধ্বংস করার জন্য পরিকল্পিতভাবে এ কাজগুলো করেছে।’
‘ আপনি আছেন বলেই আজকে আমরা এখানে এসে কথা বলতে পারছি। বাংলাদেশের মানুষ ভরসা পাচ্ছে। আপনার বক্তব্য বিকৃত করে তারা ভুলভাবে উপস্থাপন করে।’
‘ড. ইউনূস যে রাষ্ট্রদ্রোহী কর্মকাণ্ড করেছে, আমার মনে হয় আজই তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেওয়া উচিত। কারফিউ অব্যাহত রাখতে হবে। ইন্টারনেট আরো কয়েকদিন বন্ধ রাখা দরকার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত দয়া হরে ইন্টারনেট খুলবেন না। ধ্বংসযজ্ঞ যারা চালিয়েছে তাদের ছাড় দেওয়া যাবে না। এদের খুঁজে খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনতে হবে। ছাত্রলীগকে যেভাবে বেঁধে নাকে খত দেওয়া হয়েছে সাবেক একজন ছাত্রলীগ কর্মী হিসেবে তা সহ্য করতে পারি না। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আর আজকে ছাত্রলীগের এই অবস্থা!
‘আপনি সুন্দর-সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন সরকার গঠন করেছেন। আপনার উন্নয়নকে টার্গেট করে গত কয়েক দিনের সব ঘটনা ঘটেছে। ইউনূস যে বিবৃতি দিয়েছে, এ জন্য তার বিচার হওয়া উচিত। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা হওয়া দরকার। আগুন দিয়ে জ্বা*লিয়ে দেওয়ার জন্য ইন্টারনেট বন্ধ ছিল। কিন্তু টেলিনর বিশ্বের কাছে প্রচার করেছে বাংলাদেশ সরকার এটা বন্ধ করেছে। এটা খতিয়ে দেখতে হবে।’
পশ্চিমা মিডিয়াগুলো বাংলাদেশের বিরুদ্ধে প্রোপাগান্ডা মেশিন হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ওই মিডিয়া মালিকদের সঙ্গে কথা বলে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে হবে। বলতে হবে একটি দেশ যখন আক্রান্ত হয় তখন সরকার বসে থাকবে নাকি? সরকারকে তো আত্মরক্ষার্থে ব্যবস্থা নিতে হবে। ছাত্রদের ওপর ভর করে সারা বাংলাদেশে আক্রমণ করা হয়েছে। এদের কাউকেই ছাড়া যাবে না। খুঁজে খুঁজে বের করে শাস্তি দিতে হবে। যেসব গণমাধ্যম বিপক্ষে কাজ করেছে তাদের চিহ্নিত করতে হবে। এ ঘটনায় আন্তর্জাতিক মিডিয়ার ভূমিকা পর্যবেক্ষণ করার সময় এসেছে। কারণ, তারা এখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের যন্ত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।’
‘গণমাধ্যম অসহায় অবস্থায় ছিল। আপনি অফিস খুলে দিয়েছেন। এতে মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস ফিরে এসেছে। তারা অফিস করতে চাচ্ছে। '
'বাংলাদেশের পক্ষে কারা আর বিপক্ষে কারা, তা যাচাই করার জন্য গত কয়েকদিন কার অবস্থান কোথায় ছিল, তা খতিয়ে দেখতে হবে।'
' ধ্বংসযজ্ঞ ও বীভৎস ঘটনাগুলো বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে হবে। বিদেশি মিডিয়াগুলোকে এনে তাদের সামনে তথ্য তুলে ধরতে হবে। মাদরাসাগুলোর সিলেবাসে কী পড়ানো হয় তা সরকারের নজরে থাকতে হবে।'
‘আমরা এক ধরনের অসহায় অবস্থার মধ্যে ছিলাম। যারা আমাদের রাস্তায় আটকিয়েছে, তাদের চোখগুলো মনে হয়েছিল বাঙালির নয়। লাল চোখ। মুখে দাঁড়ি। সব সময় বিএনপির কর্মসূচির সময় রাস্তায় আওয়ামী লীগকে দেখি। কিন্তু এবার দেখলাম না। আমাদের যেভাবে অপদস্থ করা হচ্ছে, তাতে মনে হচ্ছে এ দেশ আমাদের কি না? এরা যে দলমতের হোন না কেন, এদের বিচার করে কবর দেওয়া না গেলে আবারও একই ঘটনা ঘটাবে।’
‘ঘরের শত্রু বিভীষণদের চেনার সময় হয়েছে। নির্বাচনের আগে ও পরে কয়জন জ*ঙ্গি মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তারা কোন ফাঁকে কীভাবে বেরিয়ে এসেছে। তাদের নজরদারিতে রাখা দরকার। ঢাকায় ঢোকা ও বের হওয়ার প্রতিটি পয়েন্ট মাদরাসায় ভরপুর। যেদিকে তাকাবেন মাদরাসা আর মাদরাসা। এত মাদরাসা কীভাবে হয়। অনুমতি দেয় কারা? এগুলো যদি না করা হয় ভবিষ্যতে কিন্তু আরো বড় হতে পারে এসব পয়েন্ট।’
, ‘বনশ্রীর ভেতরে রাতের বেলা কালো পোশাক পরা জ*ঙ্গি অ্যাটিটিউডে ছিল ১৫-২০ জন, তাদের হাতে প্রকাশ্য অস্ত্র ছিল। তারা জেনেবুঝে প্রতিটি কাজ করেছে। এর পেছনে কেবল দেশি নয়, ট্রেইনড বিদেশি চক্রান্তকারীরা যুক্ত ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের মানুষের মত বিষিয়ে তোলা হয়েছে। কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড না হওয়া পর্যন্ত ফেসবুক ও ইউটিউব বন্ধ রাখা দরকার।'
‘যাত্রাবাড়ীর মাদরাসায় কী হয়, তা আমার দেখার সুযোগ হয়েছে। এবার প্রথমবারের মতো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সংঘবদ্ধভাবে রাস্তায় নেমেছে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে হিযবুত তাহরীর এখনো স্ট্রং।
‘প্রধানমন্ত্রী আপনি মনুষ্যসৃষ্ট দুর্যোগ সফলভাবে মোকাবিলার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এসএমএস করে আন্দোলনের নামতে বলা হয়েছিল। এজন্য তাদের বেশি মার্কস দেওয়ার লোভ দেখানো হয়। আর না নামলে মার্কস কমিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। যারা হামলা করেছে, তারা ইমার্জেন্সির কারণে পালিয়ে যেতে পারেনি। তারা ঘাপটি মেরে আছে। ইমার্জেন্সি রেখে অপারেশন করা গেলে এ জ*ঙ্গিদের ধরা সম্ভব হবে।’
‘তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশ রিভার্স হয়ে গেছে। মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে গিয়ে বলা হচ্ছে, এখানে নাকি রাজাকার ছিল তারা কই। যারা দেশের স্বাধীনতা এবং মৌলবাদকে... ই করে তাদের রাজনৈতিক প্রশ্রয় দেবেন না।’
(সংক্ষেপিত)
তথ্য ও ছবি কৃতজ্ঞতা - দৈনিক আমারদেশ অনলাইন